পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল : আজি যত তারা তব আকাশে

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ২২:০২  
বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির আয়োজনে মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর)রাজধানীর একটি ক্যাফেতে বিজ্ঞান বক্তৃতার আয়োজন করা হয়। এতে সাউথ আফ্রিকান রেডিও অ্যাস্ট্রোনমি অবজারভেটরির সাবেক গবেষক ড. আসাদ মুহাম্মদ মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন। সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুয়েটের ইইই বিভাগের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী। সভায় ২০১৯ সালের পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল নিয়ে আলোচনা করেন ড. আসাদ মুহাম্মদ। ড. আসাদ মূলত কথা বলেন মিশেল মেয়র এবং দিদিয়ের কুলের কাজ নিয়ে। তিনি বলেন, "মেয়র আর কুলে প্রথম এক্সোপ্লানেট বা বহিঃসৌরজাগতিক গ্রহ আবিষ্কার করেছেন। তারা ৫১ পেগাসি নামক নক্ষত্রের একটি গ্রহ আবিষ্কার করেন। যাকে কেন্দ্র করে সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতির আকারের একটি গ্রহ ঘুরছে। গ্রহটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘোরায় নক্ষত্রটি কিছুটা নড়ে ওঠে। নক্ষত্র থেকে আসা আলো বিশ্লেষণ করে তারা এই গ্রহটি আবিষ্কার করেন। এর মাধ্যমে একটি নতুন ধারা তৈরি হয়েছে। এর ফলেই হাজার হাজার বহিঃসৌরজাগতিক গ্রহ আবিষ্কার করা সম্ভব হয়। এর মাধ্যমে হয়তো একসময় কোন গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বও খুঁজে বের করতে পারবে মানুষ"। ড. আসাদ ইতিমধ্যেই ব্যবহারিক জ্যোতিপদার্থবিদ্যায় গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় অংশ নিয়েছেন। বিশেষ করে রেডিও টেলিস্কোপ অ্যারে নিয়ে তার আন্তর্জাতিক মানের কাজ রয়েছে। ড. ফারসীম বুয়েটে অধ্যাপনার পাশাপাশি দেশের অগ্রগণ্য বিজ্ঞান লেখক। সকলের জন্য জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতিপদার্থবিদ্যার অনেকগুলো বইয়ের লেখক তিনি। বাংলাদেশে জ্যোতির্বিদ্যা জনপ্রিয়করণে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন। গত মাসে ২০১৯ সালের নোবেল পুরষ্কার ঘোষণা করা হয়৷ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য নোবেল কমিটি এই পুরষ্কার ঘোষণা করে। বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক এই পুরষ্কারের একটি ক্ষেত্র পদার্থবিজ্ঞান। এবছর পদার্থবিজ্ঞানে অবদান রাখার জন্য নোবেল জয় করেছেন তিনজন বিজ্ঞানী। তাঁদের কাজ ও অবদান নিয়ে বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি আয়োজন করেছে এই পাবলিক লেকচার। এবছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন তিনজন বিজ্ঞানী। তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী জেমস পিবলস, মিশেল মেয়র, দিদিয়ের কুলে।